Virat Kohli Goes To Bowl, Immediately Retracts As Rajat Patidar Pays No Heed – আইপিএল ২০২৬: কোহলির মজার বোলিং ভঙ্গি এবং আরসিবি-র ফাইনাল নিশ্চিত
Contents
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর দাপুটে জয়
আইপিএল ২০২৬-এর প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ধরমশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে গুজরাট টাইটানসকে ৯২ রানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। রজত পাটিদারের নেতৃত্বাধীন দলটি ব্যাট ও বল হাতে যেভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছে, তাতে গুজরাট টাইটানসের কোনো সুযোগই ছিল না ম্যাচে ফেরার।
রজত পাটিদার ও কোহলির ব্যাটিং তাণ্ডব
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আরসিবি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রজত পাটিদার। মাত্র ৩৯ বলে অপরাজিত ৯৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। তার প্রতিটি শট গুজরাটের বোলারদের দিশেহারা করে তুলেছিল। অন্যদিকে, বিরাট কোহলিও তার চিরচেনা ছন্দে ছিলেন। ২৫ বলে ৪৩ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন কোহলি। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে টানা চার মৌসুমে ৬০০-এর বেশি রান করার অনন্য রেকর্ড গড়েন।
গুজরাট টাইটানসের ভরাডুবি
২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট টাইটানস। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই তাদের পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় আরসিবি। সাই সুদর্শন হিট-উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরেন, আর অধিনায়ক শুভমান গিলও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হন। রাহুল তেওয়াতিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও লক্ষ্যটা অনেক বড় হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় গুজরাটের ইনিংস।
বিরাট কোহলির সেই মজার মুহূর্ত
ম্যাচের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়ায় বিরাট কোহলির একটি মজার কাণ্ড। গুজরাটের ইনিংসের শুরুতে যখন জেকব ডাফি বোলিং করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন কোহলি বল হাতে নিয়ে বোলিংয়ের জন্য রান-আপ মাপতে শুরু করেন। তিনি ফিল্ড সাজিয়ে বোলিং অ্যাকশনের ভঙ্গিও করেন। যদিও শেষ মুহূর্তে মজা করে বলটি ডাফিকে ফিরিয়ে দেন। এই ঘটনায় মাঠের আম্পায়ার ও রজত পাটিদার হাসিতে ফেটে পড়েন, আর গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা কোহলিকে বোলিং করতে দেখার আশায় উল্লাসে মেতে ওঠেন।
কোহলির বোলিং পরিসংখ্যান
যদিও কোহলি বর্তমানে খুব একটা বোলিং করেন না, তবুও ভক্তদের মধ্যে তার বোলিং দেখার আগ্রহ তুঙ্গে। আইপিএলের ইতিহাসে তিনি মোট ২৫১টি বল করেছেন এবং চারটি উইকেট শিকার করেছেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, ২০১৬ সালের পর থেকে আইপিএলের কোনো ম্যাচে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আর বল করেননি। তবুও প্রতি ম্যাচেই আরসিবি ভক্তদের কণ্ঠে শোনা যায় ‘কোহলি কো বোলিং দো’ বা কোহলিকে বল দাও—এই স্লোগান।
পরবর্তী লক্ষ্য
এই জয়ের ফলে আরসিবি টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল ফাইনালে জায়গা করে নিল। অন্যদিকে, গুজরাট টাইটানস এখন এলিমিনেটর ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আরসিবি যেভাবে খেলছে, তাতে আসন্ন ফাইনালে তারা শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবেই মাঠে নামবে।