“It feels superb”: Rajat Patidar Rajat ecstatic as RCB clinch back-to-back IPL titles
Contents
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: টানা দুই শিরোপায় নতুন ইতিহাস
আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচে গুজরাট টাইটানসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। অধিনায়ক রজত পাটিদারের নেতৃত্বে দলটি এমন এক অনন্য নজির স্থাপন করল, যা এর আগে কেবল চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অর্জন করতে পেরেছিল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আরসিবির আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
বোলারদের দাপটে কোণঠাসা গুজরাট
ম্যাচের শুরুতেই রজত পাটিদার টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। পিচের আচরণ কিছুটা রহস্যময় থাকায় বোলারদের ওপরই আস্থা রেখেছিলেন তিনি। সাই সুদর্শন, শুভমান গিল এবং জস বাটলারের মতো বিধ্বংসী ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়ে গুজরাট টাইটানসকে চাপে ফেলে দেয় আরসিবি বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে গুজরাট মাত্র ১৫৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। ওয়াশিংটন সুন্দর অপরাজিত ৫০ রানের একটি লড়াই চালালেও তা যথেষ্ট ছিল না। আরসিবির পক্ষে রাসিখ সালাম ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন, এছাড়া ভুবনেশ্বর কুমার ও জস হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট লাভ করেন।
বিরাট কোহলির মাস্টারক্লাস
১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভেঙ্কটেশ আইয়ার এবং বিরাট কোহলি দলকে একটি দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন। যদিও গুজরাটের বোলাররা দেবদূত পাডিক্কাল, রজত পাটিদার এবং ক্রুনাল পান্ডিয়ার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ‘চেজ মাস্টার’ কোহলি অটল ছিলেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৭৫ রানের (৪২ বলে) একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন তিনি। টিম ডেভিডও তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। ১২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে আরসিবি।
অধিনায়কের কণ্ঠে সাফল্যের সুর
ম্যাচ জয়ের পর রজত পাটিদার আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “It feels superb: Rajat Patidar Rajat ecstatic as RCB clinch back-to-back IPL titles। গত বছরের স্মৃতিগুলো আজও মনে পড়ে। আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না, তবে এই অনুভূতি দারুণ। আমাদের পরিকল্পনা ছিল স্বচ্ছ। টস জেতার পর লক্ষ্য তাড়া করাটা সহজ ছিল। ভুবনেশ্বর, হ্যাজলউড, রাসিখসহ পুরো দলের বোলাররাই টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করেছে।”
ভবিষ্যতের পথচলা ও কৃতজ্ঞতা
নিজের অধিনায়কত্ব এবং আরসিবির এই ঐতিহাসিক জয় নিয়ে পাটিদার আরও বলেন, “আমি কখনও স্বপ্ন দেখিনি যে আরসিবির অধিনায়ক হব এবং ট্রফি জিতব। মনে হয় এটা ভাগ্যের লিখন ছিল। গত বছরের চেয়ে এবার আমরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আমাদের ভক্তদের সমর্থনে প্রতিটি মাঠই যেন আমাদের ঘরের মাঠের মতো মনে হয়েছে। দিনেশ কার্তিকের কাছ থেকে পাওয়া পরামর্শগুলো আমাকে দারুণভাবে সাহায্য করেছে। এই জয় দলের প্রতিটি সদস্যের পরিশ্রমের ফসল।”
এই জয়ের মাধ্যমে আরসিবি প্রমাণ করল যে, সঠিক পরিকল্পনা এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো কঠিন লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব। টানা দুই শিরোপা জয় নিশ্চিতভাবেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ইতিহাসে এক সোনালী অধ্যায়ের সূচনা করল। ভক্তদের প্রত্যাশা অনুযায়ীই কোহলি ও তার সতীর্থরা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখলেন এবং আইপিএল ২০২৬-কে নিজেদের করে নিলেন।