Renshaw: ‘Nice to realise that I’m good enough at T20Is’ – অস্ট্রেলিয়ার জয়
Contents
অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নেপথ্যে ম্যাট রেনশর আত্মবিশ্বাস
বাংলাদেশ সফরে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের সিরিজে টানা দুই জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অজিরা। এই সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন ম্যাট রেনশ। ম্যাচ সেরা পারফরম্যান্সের পর রেনশ অকপটে স্বীকার করেছেন যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন তিনি। তার মতে, Renshaw: ‘Nice to realise that I’m good enough at T20Is’।
সিরিজ জয়ের তৃপ্তি ও রেনশর ইনিংস
ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারের পর অস্ট্রেলিয়া শিবির কিছুটা হতাশ ছিল। রেনশ জানিয়েছেন, ওয়ানডেতে প্রতিটি ম্যাচেই তারা ২০-৩০ রানের ঘাটতিতে ছিলেন। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে দলটি। রেনশ নিজেও প্রথম কয়েক উইকেটের পতনের পর দলের হাল ধরেন এবং অপরাজিত ৮৯ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন। তিনি বলেন, ‘আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার বিভিন্ন ফরম্যাটে কিছুটা অদ্ভুতভাবে কেটেছে। আজকের এই ইনিংসটি আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে যে আমি এই ফরম্যাটে ভালো করার যোগ্য।’
টিম ডেভিডের সাথে রসায়ন ও রণকৌশল
রেনশর ৮৯ রানের ইনিংসের পাশাপাশি টিম ডেভিডের ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যায়। কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল কি না জানতে চাইলে রেনশ জানান, এটি মূলত ম্যাচের পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া ছিল। তারা শর্ট বাউন্ডারি ও বাতাসের দিক বিবেচনা করে বোলারদের আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। রেনশ আরও বলেন, ‘টিম ডেভিডের সাথে ব্যাট করার সময় আমাদের যোগাযোগ ছিল চমৎকার। আমরা জানতাম যে কিছু ডট বল হলেও সমস্যা নেই, কারণ বড় শট খেলার সামর্থ্য আমাদের ছিল।’
অপ্রত্যাশিত বোলার রেনশর সাফল্য
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি এই সফরে বল হাতেও চমক দেখিয়েছেন রেনশ। পার্ট-টাইম অফস্পিনার হিসেবে এই সফরে তিনি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আটটি উইকেট শিকার করেছেন। নিজের বোলিং দক্ষতা নিয়ে তিনি কিছুটা রসিকতা করেই বলেন, ‘আমি শুনেছি বাংলাদেশের কোনো এক খেলোয়াড় আমার বোলিং নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু আমি আমার বোলিংকে ব্যাটিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি। ব্যাটসম্যান কী করতে চাচ্ছে তা বোঝার চেষ্টা করি এবং সেই অনুযায়ী ফিল্ডিং সাজিয়ে নিজের কাজটুকু করার চেষ্টা করি।’
ডেথ ওভারে বোলারদের আধিপত্য
ম্যাচ জয়ের পেছনে অ্যাডাম জাম্পা, নাথান এলিস এবং অ্যারন হার্ডির অবদানের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন রেনশ। বিশেষ করে নাথান এলিসের ডেথ বোলিংকে তিনি অসামান্য বলে অভিহিত করেছেন। রেনশ বলেন, ‘এলিস যেভাবে স্লোয়ার বলগুলো এক্সিকিউট করে, তা সত্যিই অসাধারণ। সে ব্যাটসম্যানকে বল রিড করার সুযোগ দেয় না। টি-টোয়েন্টিতে শেষ দিকে রান আটকানোর ক্ষেত্রে তার মতো বোলারের গুরুত্ব অনেক বেশি।’
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় অস্ট্রেলিয়া দলের জন্য দারুণ স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। ম্যাট রেনশর মতো খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং নতুনদের জ্বলে ওঠা অজিদের ভবিষ্যৎ সফরের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।