‘High-quality’ Saleem limits damage despite extreme heat and unhelpful pitch
Contents
চণ্ডীগড় টেস্টে সালিমের দুর্দান্ত বোলিং
নিউ চণ্ডীগড়ে অনুষ্ঠিত ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট ম্যাচে আফগান পেসার মোহাম্মদ সালিম বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন। প্রচণ্ড গরম এবং বোলারদের জন্য একেবারেই সহায়ক নয় এমন একটি পিচে তিনি ১৪০ রানে ৬টি উইকেট শিকার করে ক্রিকেট বিশ্বের নজর কেড়েছেন। তবে তার এই মহাকাব্যিক প্রচেষ্টার পরেও আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ কার্যত ভেঙে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে আফগানিস্তান ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে, যা ভারতের প্রথম ইনিংসের স্কোরের চেয়ে এখনো ৪৫১ রান পিছিয়ে।
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সালিমের লড়াই
চণ্ডীগড়ের তীব্র দাবদাহে যখন বোলারদের জন্য প্রতিটি ওভার করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তখন সালিম ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটার বেগে বোলিং করে গেছেন। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে তার এই ধারাবাহিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। আগের দিন যশ্বসী জয়সওয়াল ও বি সাই সুদর্শনকে আউট করার পর, দ্বিতীয় দিনে তিনি শুভমান গিলকে ১২৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান। এরপর ধ্রুব জুরেল, মানব সুথার এবং মোহাম্মদ সিরাজকেও তিনি সাজঘরের পথ দেখান।
অধিনায়কের প্রশংসা ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা
আফগানিস্তানের প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাস সালিমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি অসাধারণ ছিলেন। প্রচণ্ড গরমে বিশ্বমানের ব্যাটারদের বিপক্ষে ছয়টি উইকেট নেওয়া একজন বোলারের দক্ষতা এবং মানসিক দৃঢ়তার পরিচয়।’ ভারত অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দরও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। সুন্দর বলেন, ‘পিচে ফাস্ট বোলারদের জন্য খুব একটা সুবিধা ছিল না। এই অবস্থায় ধারাবাহিকভাবে সিম হিট করে আউট বের করা সত্যিই কঠিন দক্ষতার কাজ। সালিম যে দীর্ঘ স্পেলগুলো করেছেন, তা তার চরিত্রের দৃঢ়তা প্রকাশ করে।’
ডিআরএস (DRS) ব্যবহারে ব্যর্থতা
ম্যাচটিতে আফগানিস্তান যদি সঠিক সময়ে ডিআরএস বা রিভিউ ব্যবহার করত, তবে ভারতের স্কোর এতটা বিশাল হতো না। চতুর্থ ওভারের ৮৯তম বলে শুভমান গিলের বিপক্ষে এলবিডব্লিউ এবং পরের বলেই ঋষভ পন্তের বিপক্ষে ক্যাচ আউটের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও আফগানিস্তান রিভিউ নেয়নি। রিপ্লেতে দেখা যায়, উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাটাররা আউট ছিলেন। আগের দিন কেএল রাহুলকেও রিভিউ না নেওয়ায় উইকেট হারানো থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান।
কোচের বিশ্লেষণ
ডিআরএস সংক্রান্ত এই ভুলগুলো সম্পর্কে কোচ রিচার্ড পাইবাস বেশ হতাশ। তিনি স্বীকার করেন যে, মাঠের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আফগান দল অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। পাইবাস বলেন, ‘আমরা খুব হতাশ ছিলাম এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। অধিনায়ককে খুব অল্প সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং মাঠের খেলোয়াড়দের সমন্বয়ের অভাবে আমরা বড় সুযোগগুলো হাতছাড়া করেছি। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা।’
ভবিষ্যৎ পথচলা
আফগানিস্তানের ব্যাটাররা যদি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে না পারেন, তবে ভারতের বিশাল স্কোরের বিপরীতে ম্যাচ বাঁচানো অত্যন্ত কঠিন হবে। সালিম তার কাজ করে দিলেও, দলগত পারফরম্যান্সে ঘাটতি স্পষ্ট। তবে মোহাম্মদ সালিমের এই ‘High-quality’ Saleem limits damage despite extreme heat and unhelpful pitch পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে আফগান পেস বোলিং আক্রমণের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এখন দেখার বিষয়, তৃতীয় দিনে আফগানিস্তানের ব্যাটাররা কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারেন।