Watch: Krunal Pandya’s savage ‘5 trophies’ gesture sparks hilarious reaction fro
Contents
আইপিএল ২০২৬: আরসিবির উল্লাসে ক্রুনাল পান্ডিয়ার মজার কাণ্ড
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) আইপিএল ২০২৬-এর শিরোপা জয়ের পর পুরো দল যখন আনন্দে আত্মহারা, ঠিক তখনই একটি দৃশ্য সবার নজর কেড়ে নেয়। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ক্রুনাল পান্ডিয়া তার নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম আইপিএল ট্রফি জয়ের আনন্দে যে অঙ্গভঙ্গি করেন, তা দেখে বিরাট কোহলি এবং অধিনায়ক রজত পতিদার হাসি চেপে রাখতে পারেননি। Watch: Krunal Pandya’s savage ‘5 trophies’ gesture sparks hilarious reaction fro শিরোনামে এই ভিডিওটি এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়।
আরসিবির ঐতিহাসিক জয়
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত ৩১ মে আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফি ঘরে তোলে আরসিবি। এই জয়ের মাধ্যমে তারা চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পর তৃতীয় দল হিসেবে ব্যাক-টু-ব্যাক আইপিএল জয়ের গৌরব অর্জন করল। বিরাটের অপরাজিত ৭৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস জয়ের পথ সহজ করে দেয়।
পাঁচ আঙুলের সেই অঙ্গভঙ্গি
ম্যাচ শেষে ফটোসেশনের সময় আরসিবির প্রতিটি খেলোয়াড় যখন দুটি আঙুল দেখিয়ে তাদের টানা দ্বিতীয় ট্রফি জয়ের উদযাপন করছিলেন, তখন ক্রুনাল পান্ডিয়া উল্টো পথে হাঁটেন। তিনি পাঁচটি আঙুল উঁচিয়ে ধরেন, যা তার নিজের অর্জিত পাঁচটি আইপিএল ট্রফির প্রতীক। এই দৃশ্য দেখেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিরাট কোহলি হেসে লুটোপুটি খান এবং আঙুল দিয়ে ক্রুনালকে নির্দেশ করেন। রজত পতিদারও হাসিমুখেই সতীর্থের এই কাণ্ড উপভোগ করেন।
ক্রুনালের ব্যক্তিগত সাফল্য
ক্রুনাল পান্ডিয়া এখন আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড়দের একজন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে থাকাকালীন তিনি তিনটি ট্রফি জিতেছিলেন। এরপর লখনউ সুপার জায়ান্টস হয়ে ২০২৫ সালে আরসিবিতে যোগ দেন এবং দলের টানা দুই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এমএস ধোনি, কাইরন পোলার্ড এবং হার্দিক পান্ডিয়ার মতো অভিজাতদের তালিকায় এখন ক্রুনালের নামও যুক্ত হলো। উল্লেখ্য যে, রোহিত শর্মা এবং অম্বাতি রায়ডু ৬টি শিরোপা নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।
আইপিএল ২০২৬-এ ক্রুনালের অবদান
শুধুমাত্র মাঠের বাইরের হাসাহাসি নয়, মাঠের ভেতরেও ক্রুনাল পান্ডিয়া আরসিবির সাফল্যের নেপথ্য কারিগর ছিলেন। তার বাঁহাতি স্পিন এবং লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিং দলকে দারুণ ভারসাম্য দিয়েছিল। পুরো মৌসুমে তিনি ২২৬ রান করার পাশাপাশি ১৪টি উইকেট শিকার করেছেন। তার এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আরসিবিকে শিরোপা ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।
ফাইনালের সংক্ষিপ্ত চিত্র
টসে জিতে আরসিবি অধিনায়ক রজত পতিদার প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। গুজরাট টাইটান্স শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। ওয়াশিংটন সুন্দরের অপরাজিত ৫০ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ১৫৫/৮ সংগ্রহ করে গুজরাট। আরসিবির পক্ষে রাসিখ সালাম তিনটি এবং ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট নেন। ১৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরু মাত্র ১৮ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। ভেঙ্কটেশ আইয়ারের দ্রুতগতির ৩২ রান এবং বিরাটের বিধ্বংসী ৭৫ রান আরসিবিকে চ্যাম্পিয়ন করতে বড় ভূমিকা রাখে। বিরাট কোহলি এই ম্যাচে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম দ্রুততম ফিফটি তুলে নেন।
ক্রিকেটের মাঠের এমন মজার এবং আবেগপূর্ণ মুহূর্তগুলোই আইপিএলকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ক্রুনাল পান্ডিয়ার এই ‘ফাইভ ট্রফি’ সেলিব্রেশন সমর্থকদের মনে দীর্ঘকাল গেঁথে থাকবে।